ইসলাম প্রতিদিন

স্ত্রীর প্রতি স্বামীর অধিকার

  Mahbub ৬ অক্টোবর ২০২১ , ১:৪৭ অপরাহ্ণ প্রিন্ট সংস্করণ

রওসন জাহান রোজি


১. স্বামী তাঁর স্ত্রীর অধিকার রক্ষা করবে।

২. পর্দা ও ইজ্জতের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে।

৩. স্ত্রীর ভরণপোষণ করবে।

৪. স্ত্রীর খুশিতে প্রয়োজনীয় ব্যয় করবে।

৫. স্ত্রীকে দ্বীনের শিক্ষা দিবে।

৬. তার সাথে ভাল আচরণ ও সদ্ব্যবহার করবে।

৭. স্ত্রী কষ্ট পায় এমন কর্কশ আচরণ থেকে বিরত থাকবে।

৮. তাদের স্বভাবের মধ্যে বক্রতা থাকলে তাদেরকে ভালমত বুঝিয়ে শুনিয়ে ঠিক করতে হবে।

৯. রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন, সে ব্যক্তি উত্তম যে ব্যক্তি তার স্ত্রীর নিকট উত্তম। সুতরাং স্ত্রী’র থেকেই ভাল স্বামীর সার্টিফিকেট নিতে হবে। স্ত্রী যদি তার স্বামীকে উত্তম বলে স্বীকৃতি না দেয় উত্তম স্বামী হওয়া যাবে না।

১০. স্ত্রী যদি শরীয়ত বহির্ভূত কাজ করতে আগ্রহী থাকে তাকে এসব থেকে ভালভাবে বুঝিয়ে ফিরিয়ে আনা।

১১. সর্বোপরি আদব, আখলাক শিক্ষা দেয়া।

১২. স্ত্রীকে নিয়ে কুরআন তেলাওয়াত করা, সালাম দেয়া, মুচকী হেসে কথা বলা, জিকির করা, সুফী ও আউলিয়ায়ে কেরামের আধ্যাত্মিক আলোচনা করা, মহিলা সাহাবী ও বুজুর্গ মহিলা অলীগণের জীবন চরিত্র শিক্ষা দেয়া, গল্প করা।

১৩. শশুর-শাশুরী আর পিতামাতার সদ্ব্যবহার শিক্ষা দেয়া। তাকে এটা বুঝানো উচিত যে, পিতা-মাতার সেবা দ্বারা সন্তান জান্নাতে যেতে পারে। তাদের অসন্তুষ্টি ও নাফরমানী দ্বারা সন্তান জাহান্নামী হয় তাই স্ত্রীর ভুলের কারণে তার স্বামীকে যেন তার বাবা-মা বদদোয়া না দেন, তার প্রতি অসন্তুষ্ট না হন। বরং তাদের সেবার মাধ্যমে তারা যেন জান্নাত লাভ করতে পারে। আর সেটাও শিক্ষা দেয়া প্রত্যকে মানুষ তার ভাল-মন্দ কাজের প্রতিদান ফিরত পাবে। যদি সে অন্যের প্রতি বিন্দু পরিমাণ জুলুম করে থাকে তাহলে তা সে ফিরত পাবে আর ভাল করে থাকলে তাও তার নিকট ফিরে আসবে। এজন্য অন্তরকে পবিত্র রাখা আর ক্বলবে সব সময় আল্লাহ ও রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর প্রেম-মুহাব্বত ও জিকির জারি রাখা।

আলেমা লেখিকা