1. qawmivoiceb@gmail.com : Mahbub :
সালাম মুসাফাহা কি শুধু পুরুষের জন্য সুন্নাত? | কওমী ভয়েস
বুধবার, ১৪ এপ্রিল ২০২১, ০২:১৯ পূর্বাহ্ন

সালাম মুসাফাহা কি শুধু পুরুষের জন্য সুন্নাত?

Reporter Name
  • আপডেট সময়: শনিবার, ৬ মার্চ, ২০২১
  • ১২২ জন দেখাছেন

জিজ্ঞাসাঃ সালাম-মুসাফাহা কি শুধু পুরুষের জন্য সুন্নাত ?  নাকি মহিলারাও পরষ্পর সালাম মুসাফাহা করবে , তাদের জন্যও সুন্নাত?

সমাধানঃ মুসাফাহার ফযীলত একাধিক হাদীসে বর্ণিত হয়েছে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন,

مَا مِنْ مُسْلِمَيْنِ يَلْتَقِيَانِ، فَيَتَصَافَحَانِ، إِلَّا غُفِرَ لَهُمَا قَبْلَ أَن يَّفْتَرِقَا

“দু’জন মুসলমান যখন পরস্পর সাক্ষাৎ করে মুসাফাহা করে, তখন তারা পৃথক হওয়ার পূর্বেই তাদেরকে ক্ষমা করে দেয়া হয়।”

অন্য হাদীসে এসেছে, إِنَّ الْمُؤْمِنَ إِذَا لَقِيَ الْمُؤْمِنَ فَسَلَّمَ عَلَيْهِ وَأَخَذَ بِيَدِهِ فَصَافَحَهُ تَنَاثَرَتْ خَطَايَاهُمَا كَمَا يَتَنَاثَرُ وَرَقُ الشَّجَرِ

“কোনও মুমিন বান্দা যখন আরেকজন মুমিনের সাথে সাক্ষাৎ করে এবং তার হাত ধরে মুসাফাহা করে তখন তাদের উভয়ের (সগীরা) গুনাহগুলো এমনভাবে ঝরে যায় যেমন গাছের পাতা ঝরে পড়ে।”

নবীয়ে কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের যুগ থেকে আজ পর্যন্ত মুসাফাহার আমলটি নিরবচ্ছিন্নভাবে পালন হয়ে আসছে। হযরত কাতাদা রহ. বলেন, ‘আমি হযরত আনাস রাযি. কে জিজ্ঞাসা করলাম, সাহাবায়ে কেরামের মাঝে কি মুসাফাহার আমল ছিলো? তিনি বললেন, হ্যাঁ।’ হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে হিশাম রাযি. বলেন, ‘আমরা (একবার) নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাথে ছিলাম, তিনি হযরত উমর রাযি. এর হাত ধরে (মুসাফাহা কর) ছিলেন।

দুইজন মুসলমান যখন পরস্পর সাক্ষাৎ করে, তখন তারা একে অপরকে সালাম দেয়, সালামের পর মুসাফাহা করে। এটা যেমনিভাবে মুসলমানদের পরস্পর মুহাব্বত-ভালোবাসার নিদর্শন, তেমনিভাবে পরস্পর ঘৃণা-বিদ্বেষ ইত্যাদি দূর করার মাধ্যম।

সালাম ও মুসাফাহা যেমন পুরুষদের পরস্পরে করা সুন্নত। ঠিক নারীদের পরস্পরে সালাম ও মুসাফাহা করা সুন্নাত।

عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: ” خَلَقَ اللَّهُ آدَمَ عَلَى صُورَتِهِ، طُولُهُ سِتُّونَ ذِرَاعًا، فَلَمَّا خَلَقَهُ قَالَ: اذْهَبْ فَسَلِّمْ عَلَى أُولَئِكَ، النَّفَرِ مِنَ المَلاَئِكَةِ، جُلُوسٌ، فَاسْتَمِعْ مَا يُحَيُّونَكَ، فَإِنَّهَا تَحِيَّتُكَ وَتَحِيَّةُ ذُرِّيَّتِكَ، فَقَالَ: السَّلاَمُ عَلَيْكُمْ، فَقَالُوا: السَّلاَمُ عَلَيْكَ وَرَحْمَةُ اللَّهِ، فَزَادُوهُ: وَرَحْمَةُ اللَّهِ،

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহ তা‘আলা আদাম (আ.)-কে তাঁর যথাযোগ্য গঠনে সৃষ্টি করেছেন, তাঁর উচ্চতা ছিল ষাট হাত। তিনি তাঁকে সৃষ্টি করে বললেনঃ তুমি যাও। উপবিষ্ট ফেরেশতাদের এই দলকে সালাম করো এবং তুমি মনোযোগ সহকারে শোনবে তারা তোমার সালামের কী জবাব দেয়? কারণ এটাই হবে তোমার ও তোমার বংশধরের সম্ভাষণ (তাহিয়্যা)। তাই তিনি গিয়ে বললেনঃ ‘আসসালামু ‘আলাইকুম’। তাঁরা জবাবে বললেনঃ ‘আসসালামু ‘আলাইকা ওয়া রহমাতুল্লাহ’। তাঁরা বাড়িয়ে বললেনঃ ‘ওয়া রহমাতুল্লাহ’ বাক্যটি। [সহীহ বুখারী, হাদীস নং-৬২২৭]

أطلق الفقهاء القول بسنية المصافحة، ولم يقصروا ذلك على ما يقع منها بين الرجال، وإنما استثنوا مصافحة الرجل للمرأة الأجنبية فقالوا بتحريمها، ولم يستثنوا مصافحة المرأة للمرأة من السنية، فيشملها هذا الحكم، وقد صرح بذلك الشربيني الخطيب فقال: وتسن مصافحة الرجلين والمرأتين ، وقال النفراوي: وإنما تسن المصافحة بين رجلين أو بين امرأتين، لا بين رجل وامرأة، وإن كانت متجالةً (الموسوعة الفقهية الكويتية (37 / 357

والله اعلم بالصواب

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এজাতীয় আরও পড়ুন
©২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত| এই ওয়েবসাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার বেআইনি।
ডিজাইন কওমী ভয়েস