আধুনিক মাসায়েল

সহবাসের সময় তৃপ্তি ভোগের জন্য স্ত্রীর দুধ পান করা

  Mahbub ৭ নভেম্বর ২০২১ , ১২:০২ অপরাহ্ণ প্রিন্ট সংস্করণ

জিজ্ঞাসাঃ মুফতি সাহেব, বাচ্চাদের দুই বছর পর দুগ্ধপান বন্ধ করে দেওয়া হয় । যদি তারপর সহবাসের সময় স্ত্রী নিজে তার দুগ্ধ যদি পান করতে বলে তাহলে করা যাবে কি? শুধু মাত্র নিজেদের মধ্যে তৃপ্তি ভোগ করার উদ্দেশ্যে।

সমাধানঃ মানব জীবনের বিরাট একটি অধ্যায় যৌন সম্ভোগ ও স্বাদে উচ্ছল। যেখানে থাকে মধুময় মিলন ও তৃপ্তির কল্লোল। অপার্থিব সুখের সজীব দিগন্ত। পরম আনন্দে হারিয়ে যাওয়ার স্নিগ্ধ আহ্বান।

এই সম্ভোগকে আরো মধুময় ও ফলপ্রসূ করতে ইসলামে রয়েছে বিস্তর নির্দেশনা। যা মুমিন দাম্পত্য জীবনে ছড়িয়ে দেয় নির্মল সুবাস ও শান্তির বারি।

ইসলাম মুসলিম দম্পতির বন্ধনকে গেঁথে দেয় চিরস্থায়ী সুতোয়। যা এপার থেকে অপার – জীবনের রঙিন বসন্ত থেকে কবরে শয়ন ; হাশর থেকে জান্নাত ও চিরশান্তির দিগন্ত বিস্তৃত।

প্রায় সকল আলেম এব্যাপারে একমত যে, স্ত্রীর দুধ পান করা স্বামীর জন্য হারাম। (জাওয়াহিরুল ফিকহ ৭/৪৬)। কেননা, স্ত্রীর দুধ তার সন্তানের জন্য নির্ধারিত। আল্লাহ তাআলা বলেন,

وَالْوَالِدٰتُ یُرْضِعْنَ اَوْلَادَهُنَّ حَوْلَیْنِ كَامِلَیْنِ

মায়েরা তাদের সন্তানদের পূর্ণ দু বছর দুধ পান করাবে। (সূরা বাকারা ২৩৩)

তবে স্ত্রীর স্তন চোষা, লেহন করা, মর্দন করা, চুমো দেয়া নিষেধ নয়। হাদীসে এসেছে,

كان رسول الله ﷺ يُلاعبُ أهله ، ويُقَبلُها

রাসূলুল্লাহ ﷺ তাঁর স্ত্রীর সঙ্গে আলিঙ্গন, চুম্বন ইত্যাদি করতেন। (যাদুল মা’আদ ৪/২৫৩)

সুতরাং স্ত্রীর স্তনে যদি দুধ থাকে তাহলে স্বামীকে সর্তক থাকতে হবে, যেন দুধ মুখে না আসে। যদি দুধ মুখে আসার আশঙ্কা থাকে সে ক্ষেত্রে চোষণ থেকে বিরত থাকা উচিত। (মাহমূদিয়া কাদিম ১২/৩১০, শামী ১/৩১)