1. qawmivoiceb@gmail.com : Mahbub :
  2. muftimahbub454@gmail.com : কওমী ভয়েস : কওমী ভয়েস
যে কারণে গ্রেফতার মুফতি আমির হামজা | কওমী ভয়েস
বৃহস্পতিবার, ২৪ জুন ২০২১, ০২:২৬ অপরাহ্ন

যে কারণে গ্রেফতার মুফতি আমির হামজা

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময়: মঙ্গলবার, ২৫ মে, ২০২১
  • ৬২ জন দেখাছেন

আলোচিত ধর্মীয় বক্তা মুফতি আমির হামজাকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের (সিটিটিসি) একটি দল।

সোমবার রাতে সিটিটিসি ইউনিটের প্রধান মো. আসাদুজ্জামান গণমাধ্যমবে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, সোমবার বিকেলে কুষ্টিয়া সদর উপজেলার পাটিকাবাড়ি ইউনিয়নের ডাবিরাভিটা গ্রামের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে হামজাকে গ্রেফতার করা হয়।

কোন কী কারণে বা কোন মামলায় এই আলোচিত বক্তাকে গ্রেফতার করা হলো সে বিষয়ে জানা গেছে, সন্ত্রাসবিরোধী একটি মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে।

তবে সিটিটিসি সূত্র বলছে, আমির হামজার বিরুদ্ধে জঙ্গিবাদে মদদ দেওয়া এবং রাষ্ট্রবিরোধী উস্কানির অভিযোগও রয়েছে।  ওয়াজ মাহফিলে ইসলামের নামে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোর অভিযোগ আনা হয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া ইউটিউবে প্রকাশিত তার বেশকিছু বক্তব্য শুনে কিশোর-তরুণরা জঙ্গিবাদের দিকে ঝুঁকছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।

সম্প্রতি নাশকতার মামলায় হেফাজতের নেতাকর্মীদের গ্রেফতার অভিযান শুরু হয়। সে সময় পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, আমির হামজা আত্মগোপনে চলে গেছেন। তাকে খুঁজছে পুলিশ।

এমন সংবাদ কয়েকটি গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে এক বিবৃতিতে আমি হামজা বলেন- ‘আমি চোর নই, যে পালিয়ে বেড়াব’।

আমির হামজাকে কেন খুঁজছে পুলিশ সে জবাব গত ১৫ মে ঢাকার কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের তৎকালীন উপ-কমিশনার (ডিসি) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম গণমাধ্যমকে জানান।

তিনি জানিয়েছিলেন, গত ৫ মে তলোয়ার নিয়ে সংসদ ভবনে হামলা চালানোর চেষ্টায় সাকিব নামে একজনকে আটক করা হয়। সাকিবকে আটকের পর শেরেবাংলা নগর থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা হয়। ওই মামলায় সাকিবসহ আলী হাসান ও মাওলানা মাহমুদুল হাসান গুনবীকে আসামি করা হয়।

মামলার এজাহারে বলা হয়, আলী হাসান উসামা, মাহমুদুল হাসান গুনবী এবং আমির হামজার উগ্রবাদী জিহাদি হামলার বার্তা সংবলিত ভিডিও মোবাইল ফোনে দেখে সাকিব উগ্রবাদে আসক্ত হয়।

ডিসি মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম আরো জানিয়েছিলেন, সাকিবকে গ্রেফতারের পর জিজ্ঞাসাবাদে তিনি জানান এক ইসলামী বক্তার নির্দেশে তিনি এই পরিকল্পনা করেছিলেন। কয়েকজনের ওয়াজ ও বক্তব্য শুনে জঙ্গিবাদে সম্পৃক্ত হন তিনি। আমরা সেসব বক্তাকে চিহ্নিত ও গ্রেফতারের চেষ্টা করছি।

তারই অংশ হিসেবে সোমবার গ্রেফতার হলেন মুফতি আমির হামজা।

উল্লেখ্য, কুষ্টিয়ার আঞ্চলিক ভাষায় ওয়াজকারী আমির হামজা খুব দ্রুত জনপ্রিয়তা পেয়েছেন।

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় কুষ্টিয়া থেকে আল-কোরআনের ওপর অনার্স ও মাস্টার্স করেছেন তিনি।

গত বছরে দেশে করোনা প্রাদুর্ভাবের সময় বেশ কয়েকটি মাহফিলে দেওয়া তার বক্তব্য সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে পড়ে। এ নিয়ে তীব্র সমালোচনা হয় ফেসবুকে।

ওই সব মাহফিলে করোনাভাইরাস নিয়ে বিভ্রান্তিকর কিছু মন্তব্য করেন হামজা। বলেন, ‘করোনা এসেছে ইসলামে অবিশ্বাসীদের শায়েস্তা করতে। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়লে কারও করোনা হবে না।’

এসব বলে মাস্ক না পরতে উৎসাহ দেন।

সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া আরেকটি ভিডিওতে আমির হামজাকে বলতে শোনা যায়, ‘আমি কসম দিচ্ছি আপনার কাছে করোনা আসবে না। যদি আসে আমার কাছ থেকে বুঝে নিয়েন যান। যদি আসে তাহলে কোরআন শরিফ মিথ্যা হয়ে যাবে। আল্লাহ কি তার কোরআনকে মিথ্যা প্রমাণ করবেন’?

অনেকে মতে, করোনা নিয়ে এসব বৈজ্ঞানিক ও ভুল বক্তব্য দিলেও কোনে মাহফিলে উগ্রবাদী জিহাদি হামলার ওয়াজ তাকে করতে দেখা যায়নি।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এজাতীয় আরও পড়ুন
©২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত| এই ওয়েবসাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার বেআইনি।
Theme Customized BY QawmiVoice