1. qawmivoiceb@gmail.com : Mahbub :
যখন নবীর প্রতি দরূদ নিষেধ | কওমী ভয়েস
শুক্রবার, ০৭ মে ২০২১, ০৪:৩৫ পূর্বাহ্ন

যখন নবীর প্রতি দরূদ নিষেধ

মুফতী মাহবুব
  • আপডেট সময়: রবিবার, ২৪ জানুয়ারী, ২০২১
  • ১৪৯ জন দেখাছেন

আখেরী নবী, আমাদের নবী, বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মাদুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের আগমন সব সৃষ্টির জন্য রহমত। আল্লাহ তাআলা তাঁকে বিশ্ববাসীর জন্য রহমতস্বরূপ পাঠিয়েছেন। স্বয়ং আল্লাহ তাআলা এবং ফেরেশতারা বিশ্বনবী মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের জন্য রহমতের দুআ করেন।

বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের প্রতি আল্লাহ তাআলা কুরআনুল কারিমে দরূদ ও সালামের ব্যাপারে নির্দেশ দিয়ে বলেন- ‘নিশ্চয়ই আল্লাহ নবির উপর রহমত নাজিল করেন এবং ফেরেশতারা তাঁর জন্য রহমতের দোয়া করেন। সুতরাং হে মুমিনগণ! তোমরাও তাঁর প্রতি দরূদ পড় এবং অধিক পরিমাণে সালাম পাঠাও।’ -সুরা আহযাব : আয়াত ৫৬

হাদীস শরীফেও মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের প্রতি দরূদ পড়ার ফযীলত বর্ণিত হয়েছে। হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর ইবনুল আছ রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, তিনি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছেন, ‘যে আমার উপর একবার দরূদ পড়বে; বিনিময়ে আল্লাহ তাআলা তার উপর দশটি রহমত নাজিল করবেন।’ -মুসলিম, তিরমিজি

মুসনাদে আহমদে হযরত আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘যে আমার উপর একবার দরূদ পড়বে আল্লাহ তার উপর দশটি রহমত নাজিল করবেন, তার দশটি গোনাহ ক্ষমা করা হবে এবং দশটি (রহমতের) দরজা খুলে দেয়া হবে।’ -নাসাঈম মুসান্নাফ ইবনে আবি শাইবা

এতো ফযীলত থাকা সত্বেও বিশেষ করে পাঁচ জায়গায় মহানবীর ওপর দরূদ পড়া নিষেধ। এমন কি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নাম শুনেও দরূদ পড়া যাবে না। সে স্থানগুলো হলো-
এক. সহবাসের সময়।
দুই. পেশাব বা পায়খানার সময়।
তিন. হাঁচির সময়।
চার. প্রাণী জবাই করার সময়।
পাঁচ. কুরআন তিলাওয়াতের মাঝে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নাম এলেও দরূদ পড়বে না।

উক্ত পাঁচ স্থানে যে কারণে দরূদ পড়া নিষেধ। প্রথমোক্ত ৩ অবস্থায় দরূদ পড়া নিষিদ্ধ কারণ এতে করে দরূদের অপমান হয়। আর ৪র্থ অবস্থায় দরূদ পড়লে শিরকের সম্ভাবনা থাকায় দরূদ পড়া নিষিদ্ধ। আর ৫ম অবস্থায় পড়া লাগবে না কারণ এতে করে কুরআন তিলাওয়াতের অপমান হয়। এমন সব অপমানজক অবস্থায় দরূদ পড়া নিষিদ্ধ। আরো যেসব স্থানে দরূদ পড়লে দরূদের অপমান হয়, বা শিরকের সম্ভাবনা থাকে সেসব স্থানে দরূদ পড়া নিষিদ্ধ।

 

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এজাতীয় আরও পড়ুন
©২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত| এই ওয়েবসাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার বেআইনি।
ডিজাইন কওমী ভয়েস