ইসলাম প্রতিদিন

তাওবাহর ৬টি উপকারিতা

  Mahbub ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১ , ৩:৩৪ পূর্বাহ্ণ প্রিন্ট সংস্করণ

১. তাওবাহ গুনাহ বিদূরক :

আল্লাহর হাবীব সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘গোনাহ থেকে তাওবাহকারীর কোন গোনাহই থাকে না।’ [ইবনে মাজাহ: ৪২৫০]

২. গুনাহকে নেকীতে রূপান্তরকারী :

গাফুর আল্লাহ ইরশাদ করেন, “কিন্তু যারা তাওবাহ করে, ঈমান আনে ও আমলে সালিহ করে, এদের সকল পাপরাশি নেকীতে রূপান্তর করে দেন আল্লাহ তা’আলা। আর আল্লাহ ক্ষমাশীল ও দয়ালু। [সূরা আল ফুরক্বান:৭০]

৩. তাওবাহ হৃদয়কে পরিচ্ছন্ন করে দেয় :

রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ” বান্দা যখন কোন গুনাহের কাজ করে তখন তার অন্তরে একধরনের কালো দাগ পড়ে যায়। যদি ইস্তেগফার করে তাহলে এইদাগ দূরীভূত করে তার অন্তর সূচালু, ধারলো, ও পরিশীলিত হবে। আর এই দাগের কথা কুরআনেই আছে, খবরদার! তাদের অন্তরে দাগ রয়েছে যা তাঁরা কামাই করেছে। [তিরমিযি: ৩৩৩৪]

৪. তাওবাহ-সুখী সুন্দর জীবনের গ্যারান্টি :

আর তোমরা নিজেদের পালনকর্তা সমীপে ক্ষমা প্রার্থনা কর, অন্তর তারই প্রতি মনোনিবেশ কর, তাহলে তিনি তোমাদেরকে নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত উৎকৃষ্ট জীবনোপকরণ দান করবেন এবং তিনি অধিক আমলকারীকে বেশি করে দিবেন। [সূরা হুদ: ০৩]

৫. তাওবাহ রিযিক্ব ও শক্তিবৃদ্ধির মাধ্যম :

আল্লাহ তা’আলা নূহ আলাইহিস সাল্লামের ভাষায় বৃধিত করেন, “তোমরা তোমাদের পালনকর্তার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা কর, তিনি অত্যন্ত ক্ষমাশীল। তিনি তোমাদের উপর অজস্র ধারায় বৃষ্টির নহর ছেড়ে দিবেন। তোমাদের ধন-সম্পদ, সন্তান-সন্তুতি বাড়িয়ে দিবেন। তোমাদের জন্য উদ্যান স্থাপন করবেন এবং তোমাদের জন্য নদীনালা প্রবাহিত করবেন। [সূরা নূহ: ১০-১২]

৬. তাওবাহ দুনিয়া -আখিরাতের কামিয়াবী অর্জনের মাধ্যম :

কুরআনুল কারীমের এক আয়াতে মহান আল্লাহ ইরশাদ করেন, ” যারা তাওবাহ করে, ঈমান আনে ও আমলে সালিহ করে আশা করা যায় তাঁরা সফলকাম হবে। [সূরা কাসাদ: ৬৭]

অপর এক আয়াতে এসেছে ” পক্ষান্তরে যারা তাওবাহ করবে, ঈমান আনবে ও আমলে সালিহ করে তাদেরকে জান্নাতে প্রবেশ করানো হবে, কোন প্রকার জুলুম করা হবে না। [সূরা মারইয়াম: ৬০]
আল্লাহ্‌ সবাইকে উত্তম প্রতিদান দান করুন! আমীন।


আলেমা মারিসা ইসলাম মীম

গবেষক, প্রবন্ধ লেখিকা

আরও খবর:

এজাতীয় আরও খবর