1. qawmivoiceb@gmail.com : Mahbub :
ছেলে মেয়ের চুলের সুন্নত তরীকা | কওমী ভয়েস
বুধবার, ১৪ এপ্রিল ২০২১, ০২:২০ পূর্বাহ্ন

ছেলে মেয়ের চুলের সুন্নত তরীকা

Reporter Name
  • আপডেট সময়: শনিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২১
  • ৯২ জন দেখাছেন

ইসলাম একটি পরিপূর্ণ জীবন বিধান। যেখানে একজন মানবের জন্ম থেকে মৃত্যু পযর্ন্ত সকল বিধান বলে দেওয়া হয়েছে। চুলের বিষয়টিও বাদ দেয়নি ইসলাম। পুরুষদের জন্য বাবরী চুল রাখা সুন্নাত। কেননা, রাসূলুুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাধারণ অভ্যাস ছিল বাবরী চুল রাখা। তা তিন পদ্ধতিতে হতে পারে। এক. উভয় কাঁধ বরাবর। দুই. ঘাড়ের মাঝামাঝি। তিন. উভয় কানের লতি পর্যন্ত।-সুনানে আবু দাউদ, হাদীস নং-৪১৮৩-৪১৮৭

রাসূলুুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইহরাম থেকে হালাল হওয়ার জন্য মাথা মুণ্ডাতেন। এছাড়া তিনি কখনো মাথা মুণ্ডাননি। এ সময় তিনি মাথা মুণ্ডানোকে চুল ছোট করে রাখার উপর প্রাধান্য দিয়েছেন। এজন্য ইমাম তাহতাবী রহ. বলেন, মাথা ন্যাড়া করাও সুন্নাত । আর কিছু অংশ মুণ্ডানো ও কিছু রেখে দেয়া নিষেধ। মুণ্ডাতে ইচ্ছে না করলে চুল ছোট রাখা যেতে পারে।

উল্লেখ্য, আলেমগণ তিন তরিকায় বাবরী রাখাকে সুন্নাত আর মাথার চুল ছোট করে রাখা বা মুণ্ডানোকে জায়েয বলেন। এছাড়া সামনে বা পেছনে লম্বা রাখা অথবা ডানপাশে বা বামপাশে ছোট-বড় করে রাখাকে জায়েয মনে করেন না। এক্ষেত্রে লক্ষণীয় বিষয় হল, চুলের যে কাটিং ভিন্ন কোন জাতি সত্তার অনুকরণে হবে, তাই নাজায়েযের মধ্যে শামিল হবে।-মাহমুদিয়া – ২৭/৪৬০, মিশকাত- ৩৮১, ২৩২, ৩৮০

ইসলাম পুরুষের চুলের বিধান যেমন বর্ণনা করেছেন মেয়েদেরও বাদ দেননি। মেয়েদের জন্য চুল মুণ্ডন করা বা কেটে ছেলেদের মতো করে ফেলা নিষেধ। আবার এতো বড় রাখা উচিত নয় যে, গোছলের সময় পানি পৌঁছানো কষ্টকর হয়। বরং পিঠ বা কোমর পর্যন্ত রাখা ভালো। সেমতে কোমরের নিচের অংশ কেটে ফেলা জায়েয হবে। অবশ্য না কাটলেও কোনো সমস্যা নেই।
-তিরমিজি শরিফ ১/১৮২, মুসলিম শরিফ ১/১৪৮

 

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এজাতীয় আরও পড়ুন
©২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত| এই ওয়েবসাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার বেআইনি।
ডিজাইন কওমী ভয়েস