1. qawmivoiceb@gmail.com : Mahbub :
আযানের জবাব দেওয়ার নিয়ম | কওমী ভয়েস

আযানের জবাব দেওয়ার নিয়ম

  • আপডেট সময়: শনিবার, ১৬ জানুয়ারী, ২০২১
  • ৮১ জন দেখাছেন

দুনিয়াতে অনেক কিছুই আছে বড়। রয়েছে বড়ত্বের অহমিকা ও দম্ভ। কিন্তু আল্লাহর বড়ত্ব সব কিছুকে ছাপিয়ে। দুনিয়াতে কোনো কিছুকে বা কাউকে বড়ত্ব তিনিই দান করেন। মহা মহীম সেই আল্লাহর মহিমা ও বড়ত্ব দিয়ে সূচনা হয় আযান-ধ্বনির। মানুষ যেন বিনয়াবনত হয় আল্লাহর বড়ত্বের কথা ভেবে।

আযান ইসলামের একটি শিআর বা অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ নিদর্শন। শিআরের গুরুত্ব স্বীকৃত।
মুসলিম-অমুসলিম-নির্বিশেষে কোটি কোটি মানুষের উপলব্ধি করে যে, পৃথিবীর সবচেয়ে সুমধুর ধ্বনির নাম আযান। ইসলাম ধর্মে রয়েছে আযানের বিশেষ গুরুত্ব। আবার আযান শুনে আযানের জবাব দেওয়ারও রয়েছে বিশেষ গুরুত্ব। রাসুলুল্লাহ সা. ইরশাদ করেন, ‘যখন তোমরা আযান শুনবে, এর জবাবে মুয়াজ্জিনের অনুরূপ তোমরাও বলবে।’ -বুখারী, হাদীস : ৬১১

আযানের জবাবের পদ্ধতি হলো- আযানের জবাবে আযানের বাক্যগুলোই বলতে হয়। তবে হাইয়্যা আলাস সালাহ ও হাইয়্যা আলাল ফালাহ বলার জবাবে লা-হাউলা ওয়ালা কুওয়্যাতা ইল্লাবিল্লাহিল আলিয়্যিল আজীম এবং “আসসালাতু খাইরুম মিনান নাউম” এর জবাবে সাদাকতা ওয়াবারারতা” বলবে।

فى الهندية: ويجب على السامعين عند الاذان الاجابة، وهى ان يقول مثل ما قال المؤذن الا فى قوله حى على الصلاة حى على الفلاح، فانه يقول مكان حى على الصلاة لا حول ولا قوة الا بالله العلى العظيم…… وكذا فى قول المؤذن الصلاة خير من النوم لا يقول السامع مثله ولكن يقول صدقت وبررت، (الفتاوى الهندية-1/58)

উল্লেখ্য, আযানের জবাব মুখে দেয়া সুন্নত, তবে এর মূল জবাব হলো জামাতে শরীক হওয়া।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এজাতীয় আরও পড়ুন
©২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত| এই ওয়েবসাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার বেআইনি।
ডিজাইন: কওমী ভয়েস