1. qawmivoiceb@gmail.com : Mahbub :
অবৈধ প্রেম থেকে বাঁচার ১০ কৌশল | কওমী ভয়েস
শুক্রবার, ০৭ মে ২০২১, ০৪:২৪ পূর্বাহ্ন

অবৈধ প্রেম থেকে বাঁচার ১০ কৌশল

কওমী ডেস্ক
  • আপডেট সময়: শনিবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২১
  • ১৯১ জন দেখাছেন

ইসলামে বিয়ের আগে পরপুরুষ বা পর নারীর সাথেও সবধরনের প্রেম-ভালবাসা (যিনা) হারাম ও কবিরা গুনাহর অন্তর্ভুক্ত। ইসলামে যে সম্পর্কগুলো নিষিদ্ধ করা হয়েছে তা ‘হারাম সম্পর্ক’। এর শাস্তি অত্যন্ত ভয়াবহ। শয়তানের প্ররোচনায়, মানুষ এ রিলেশনে জড়িয়ে পড়ে। অনেকে বেরিয়ে আসতে চায়; কিন্তু যখন ফিরে আসতে চায় শয়তান তখন তার পেছনে আরো আষ্টেপৃষ্টে লাগে। আজ আমরা জেনে নেবো ‘বিতাড়িত শয়তান’কে টপকিয়ে হারাম সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে আসার কৌশল সম্পর্কে-

১. আপনি যদি গান শুনায় আসক্ত হয়ে থাকেন। তাহলে গান শুনা ছেড়ে দিন। যদি আপনার গান শোনার অভ্যাস থাকেও তবু; তাহলে এই অভ্যাস সম্পূর্ণ ত্যাগ করুন। ফোন থেকে সব গান ডিলিট করে দিন। সিনেমা, নাটককেও বিদায় জানান চিরতরে। এর পরবর্তীতে হক্কানি আলেমাদের ওয়াজ, তাফসীর শুনুন।

২.মানুষ জীবনে আল্লাহর ভয় অতি গুরুত্বপূর্ণ। সুতরাং আল্লাহকে ভয় করুন। কাউকে ভালোবাসতে হবে আল্লাহর জন্য। কারো থেকে দূরে থাকতে হবে একমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য।

৩. মানব জীবনে বন্ধুর বিকল্প নেই। তাই ইসলামিক মাইন্ডের বন্ধু বান্ধব তৈরি করুন। যারা সবসময় দীন ও ইসলামের কথা বলে এমন বন্ধু। দিনশেষে যেন অত্যন্ত একজনও ইসলামিক মাইন্ডের বন্ধু থাকে আপনার; যাকে দেখলে আল্লাহর কথা স্মরণ হয়। সবসময় তার সঙ্গেই উঠাবসা করুন। দীনি আলোচনা করুন।

৪. ইসলামে বন্ধুর গুরুত্ব যেমন আছে , ঠিক তেমনি ভালো বন্ধু নির্বাচনে গুরুত্বও আছে। তাই বয়ফ্রেন্ড/গার্লফ্রেন্ড আছে কিংবা প্রেম করে এসব বন্ধু-বান্ধবী থেকে যথাসম্ভব ভদ্রতা বজায় রেখে দূরে থাকুন। ভুল করেও বয়/ গার্লফ্রেন্ড বিষয়ে তাদের সাথে আলোচনা করবেন না। এটা আপনার জন্য ক্ষতিকর। আপনার অতীত প্রেমিক/প্রেমিকার জন্যও তা ক্ষতিকর। ক্ষতিটা পরে বুঝবেন।

৫. উপহার দেওয়া নেওয়া খুব ভালো কাজ। তবে তা সৎ মানুষের হলে ভালো হয়। আর বয়ফ্রেন্ডের/গার্লফ্রেন্ডের দেয়া কোনো উপহার আপনার কাছে থাকলে সেগুলো নিজের কাছে সংরক্ষিত রাখবেন না কোনো ভাবেই।

৬. আল্লাহর যিকির মনকে প্রশান্ত রাখে। তাই সবসময় নিজেকে যিকিরে মশগুল রাখবেন। আল্লাহ তাআলা বলেন, জেনে রাখ, আল্লাহর যিকির দ্বারাই অন্তর সমূহ শান্তি পায়। -সুরা রা’দ আয়াত: ২৮

৭. পাশাপাশি জীবনকে পরকাল মুখী করুন। দুনিয়ার ৬০ বছরের জিন্দেগী থেকেও আখিরাতের লক্ষ কোটি বছরের জিন্দেগীর কথা ভাবুন।

৮. মানুষ চেষ্টা করলে সবই পারে। তাই আপনি সেই ছেলে অথবা মেয়ের কথা মনে করেন বলেই মনে পড়ে! মনে করবেন না ভুলেও। তাহলে আর মনে পড়বে না। মনে পড়লেই সঙ্গে সঙ্গে আল্লাহ’র প্রেমে নিজেকে ডুবিয়ে রাখবেন। পবিত্র কুরআন পড়বেন। শয়তান আপনাকে ওয়াসওয়াসা দিয়ে হারাম কাজের জন্য আবেগী বানাতে চাইবে! তাই সর্তক থাকবেন।

৯. সোশ্যাল মিডিয়া আমাদের যেমন উপকার করে তেমন ক্ষতিও করে। সেজন্যই প্রেমিক/প্রেমিকাকে ফেসবুকসহ সবকিছু থেকে ব্লক দিয়ে রাখুন। প্রোফাইল ঘাটবেন না। মন চাইলেও সাথে সাথে মনকে ফিরিয়ে আনবেন। নিজেকে প্রভুর ভালোবাসায় সিক্ত করবেন। পাশাপাশি আপনার জীবনসঙ্গীনীর কথা ভাবুন; যাকে আপনার জন্য আল্লাহ পাক সৃষ্টি করেছেন তাকে ঠকানো যাবে না। মনে রাখবেন, প্রেম নামক এই হারাম সম্পর্কে যতদিন থাকবেন ততদিন পাপ হতেই থাকবে। এ সম্পর্ক আপনাকে নিয়ে যাবে ধ্বংসের অতল গহ্বরে।

১০. প্রত্যেক প্রাণীরই মরণ আছে। সর্বদা মৃত্যুকে ভয় করবেন। কখন মৃত্যু এসে যায় বলা যায় না। হারাম সম্পর্কে জড়িত থাকা অবস্থায় মারা গেলে কে আপনার সঙ্গী হবে? সত্যিকার বন্ধু কে? কোরআন নাকি আপনার হারাম প্রেমিক/প্রেমিকা?

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এজাতীয় আরও পড়ুন
©২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত| এই ওয়েবসাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার বেআইনি।
ডিজাইন কওমী ভয়েস